Volunteer

Volunteerism হতে পারে সমাজ পরির্বতনের হাতিয়ার।

Volunteerism হচ্ছে শক্তি, প্রেরণা, আত্মদাওে এক অপরিমীয় অবদান। প্রত্যেকটি মানুষ অপর মানুষের জন্য কিছু করে বা করতে চায় আর তারই নাম হলো Philanthropy (মানব প্রেম)। Philanthropy এর মাধ্যমে নিজেই নিজের আত্তাকে শান্তনা দেয়া যায়। ফলে প্রতিটি মানবজাতি হয়ে উঠে কল্যাণমুখী ও শান্তির ধারক বাহক। Volunteerism দ্বারা সমাজ, দেশ ও জাতির কল্যাণ সাধন করা যায়। ফলে সমাজ,দেশ ও জাতী সুখ ও শান্তিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠে। মানুষ পায় তাঁর জন্মের স্বার্থকতা। আর এরই জন্যে National Volunteers Foundation (NVF) নিয়ে এলো শান্তির প্যাকেজ, কল্যাণের প্যাকেজ, দেশ ও জাতীর উন্নতির প্যাকেজ- Volunteerism । আসুন, আপনি আমি নিজ- নিজ স্থান থেকে সমাজ, দেশ ও জাতি এবং সমগ্র বিশ্বব্যাপী Volunteerism এর মাধ্যমে উন্নত থেকে উন্নতর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধিতে সমাজকে করি পরিপূর্ণ।


আমরা কেন Volunteerism হবোঃ

আপনি কী জানেন? আমরা কেন হাসি, কান্না করি, আমরা কেন খাদ্য গ্রহন করি, কেন মানুষের কান্না দেখে নিজে কষ্ট পাই, কেন অন্য জনের কান্না দেখে নিজের চোখে পানি চলে আসে। আসলে এসবই মানুষের প্রতি মমত্ববোধ। এক আপরের প্রতি যদি দয়া, মায়া,অনুগ্রহ, প্রেম,ভালবাসা, না থাকতো তবে যেমন রাষ্ট্র ও সমাজ স্থায়ী হতো না তেমনি সমস্ত মানবজাতি হতো বিপন্ন এবং বসবাসের অনুপযোগী। মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে মানবওে মাঝে আমি বাচিবাওে চাই। যদি তাই হয়ে থাকে তবে আমার আপনার চারপাশের পরিবেশকে সুন্দর ও বসবাসের উপযোগী করে রাখাটাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা রবো না এ ভুবনে কিন্তু রয়ে যাবে আমাদের কর্ম। আমাদের কর্মকে চিরস্থায়ী, চিরবরনীয়, স্মরনীয় করে রাখতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে Volunteer হয়ে Volunteerism কায্র্ক্রমে অংশগ্রহন করা প্রয়োজন। কেননা কেউ বই কিনে যেমন দেউলিয়া হয়ে যায় না, তেমনি Volunteerism কার্যাদি করে কেউ দেউলিয়া হয় না। আর Volunteerism এর মাধ্যমে একে অপরের ভেদাভেদ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ দুর করে শান্তি স্থাপন করা সম্ভব। জন্মিলে মরিতে হইবে তা যেমন সত্য তেমনি সকল সঞ্চয় পরিশেষে শেষ হয়, উন্নতির অন্তে পতন হয়, মিলনের অন্তে বিচ্ছেদ হয়, জীবন অন্তে মরণ হয়, শুধু রয়ে যায় আমাদের কর্ম।


Volunteer হওয়ার উপকারিতাঃ


ব্যক্তি জীবনে, সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করা যায়, মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করা যায়, যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, সময়, পরিস্থিতি অনুধাবন করা য়ায়, অনেক সমস্যা দুর করা যায়, বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে পরিচিত হওয়া যায়, নিজেকে বোঝা যায়, অজানাকে জানা যায়, নিজের উপলদ্ধিকে প্রকাশ করা যায়, নিজের মতামতকে প্রকাশ করা যায়, হতাশা থেকে নিজেকে মুক্ত করা যায়, বিভিন্ন বিষয়ে অজ্ঞিতা অর্জন করা যায়, নিজেকে সতেজ রাখা যায়।

Hello world!

Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!